হাওড়ার শালিমার রঙের কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

  রাজ্যে একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়  রীতিমতো অশ্বস্থিতে পড়ল এ রাজ্যের প্রশাসন ।  গত মাসে  মহেশ্বর তলার মোল্লার গেট খালপাড় এলাকায় একটি গেঞ্জির কারখানার গুদাম ঘরে আগুন লেগে যায় ।  এমত অবস্থায় ঘটে  গেল,  হাওড়ার শালিমার রঙের কারখানায়  এক বিরাট ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ।  ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের   বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন ।  বেশ  ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ার কারণে   আগুন নেভাতে অনেকখানি  কসরত  করতে হয় দমকল কর্মীদের । 

অগ্নিকাণ্ড
ছবি:সংগৃহীত

 বুধবার দুপুরে বেশ জোরকদমে কাজ চলছিল কারখানায় ,  সেই সময় হঠাৎই কর্মীরা লক্ষ্য করে কারখানার  একটি জায়গা থেকে ধোঁয়া বেরোচ্ছে ।  কিছুক্ষণের মধ্যেই  ঠিক সেই জায়গাতেই  আগুন দেখতে পায় তারা ।  রঙের কারখানাতে বিভিন্ন রকমের  দাহ্য পদার্থ থাকার কারণে ।  হু হু করে   ছড়িয়ে পড়ে আগুন ।  কাজ বন্ধ করে কারখানা থেকে তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে যেতে থাকে কর্মীরা ।  মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা  গোটা কারখানাটিকে গ্রাস করে ফেলে । 


 সূত্রের খবর,   এসি থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত  বলে ধরা হচ্ছে ।  এই ঘটনায়  আহতের সংখ্যা 20 থেকে 25 জন  ।  তবে অনুমান  করা হচ্ছে আহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে ।  তাদের মধ্যে অনেকেই  দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন।  এদিকে আগুন নেভাতে গিয়ে  কারখানার ম্যানেজার  অশোক কুমার   ভার্মা  সহ 18 জন  কর্মী আহত হয়েছেন ।  ম্যানেজার   ভার্মা  মেডিকা হাসপাতাল এ ভর্তি আছেন।  আহতদের মধ্যে  2 জন  এসএসকেএমের ট্রমা কেয়ারে ভর্তি  আছে  ও 3 জন  ডিসান  ভর্তি   এবং আরো 14 জন  সিএমআরআই  ভর্তি আছে বলে জানা যাচ্ছে ।  কারখানার এক কর্মী  তপন দেশের অবস্থা আশঙ্কাজনক ।  এর পাশাপাশি গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন উত্তম দাস ।  উত্তম দাসের শরীরে 55 শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানা যাচ্ছে । 


 ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছিল  হাওড়া সিটি পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা  ও ব্রিগেড থানার পুলিশ ।  এই ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে  দমকল মন্ত্রী  শ্রী সুজিত বসু , শিবপুরের বিধায়ক নন্দিতা চৌধুরী, মন্ত্রী অরূপ রায়   সহ আরো অন্যান্যরা।

 

মন্তব্যসমূহ